টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে ২০২২

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে: বর্তমান সময়ে অনলাইনে আয়ের অনেক পথ খোলা রয়েছে। আপনি একটু দেখেশুনে ভালো করে খেয়াল করলে খুব সহজেই পরিশ্রমের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। আজকে আমরা কি কি উপায় অনলাইনে ইনকাম করা যায় সেই বিষয়ে একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।

সূচীপত্র

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে
টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

আর্টিকেলটি একটু বড় হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি নিশ্চয়ই আপনার জন্য উপযোগী আয়ের একটি পথ খুঁজে পাবেন। নিচে অনলাইনে আয়ের উপায়গুলো আলোচনা করা হলো:

ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

অনলাইনে আয়ের জন্য একটি বড় পথ হল ফেসবুক। বিশ্বেরশের প্রায় ২৫০ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। ফেসবুকে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। ফেসবুকে ‘ওয়াচ’ নামে নামে একটি অপশন রয়েছে।

এখানে ভিডিও আপলোড করলে সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ আপনার ইনকামে যুক্ত হবে। ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করলে সেখানে ফেসবুক কর্তৃক বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়। সেই বিজ্ঞাপনের একটি অংশ ফেসবুক আপনাকে দিবে। এজন্য আপনাকে একটি পেজ খুলতে হবে।

সেই পেইজ থেকে ভিডিও আপলোড করলে আপনি অনলাইনে ইনকামের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে ইনকামের হার অনেক বেড়ে গেছে। আপনি নিজেও হয়তো এই বিষয়টি খেয়াল করেছেন। আপনি নিজেও হয়তো ফেসবুকে বিভিন্ন ভিডিও দেখে সময় কাটিয়ে দেন। তাই ভিডিও না দেখে নিজেও ভিডিও বানিয়ে আয় করা শুরু করে দিন।

আবার ফেসবুক গ্রুপ থেকেও ইনকাম করা সম্ভব। আমি অনলাইনে অনেক ফেসবুক গ্রুপ দেখেছি, যেগুলিতে কোন ওয়েবসাইটের লিংক বা কোন এড দেওয়ার জন্য টাকা দিতে হয়। যেমন বাংলাদেশের কয়েকটি জনপ্রিয় ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে।

যেগুলোতে বাংলাদেশের অনেক চাকরির ওয়েবসাইট এর মালিকরা তাদের ওয়েবসাইটের লিঙ্ক শেয়ার করে। এবং লিংক শেয়ার করার জন্যে ঐ ফেসবুক গ্রুপ গুলির মালিকদের মাসিক টাকা দিতে হয়।

তবে একটা ফেসবুক গ্রুপ থেকে টাকা ইনকাম করতে গেলে সেই গ্রুপে প্রচুর পরিমাণে একটিভ সদস্য প্রয়োজন। যা কয়েকজন মিলে লম্বা সময় ধরে কাজ করলে সম্ভব। একা একটি ফেসবুক গ্রুপকে টাকা ইনকামের পর্যায়ে নিয়ে যেতে অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই আপনার কাছের কয়েকজন বন্ধু বান্ধব মিলে টাকা ইনকামের জন্য একটি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।

আরো পড়ুন;- অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম ২০২২

ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আপনিও কিন্তু চাইলেই ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করা শুরু করতে পারেন।

এই ভিডিও বানাতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় ইউটিউবার-ই মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে তাদের ইউটিউব যাত্রা। তারপরে সফল হওয়ার পরে এখন তারা দামি দামি গেজেট ব্যবহার করে। আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো থাকে, প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে যদি আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন।

তবে এক্ষেত্রে একটি ছোট্ট বিষয় টিপস দিয়ে রাখি আপনাদের। আপনারা যদি সত্যিই প্রফেশনালভাবে ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান তাহলে ভিডিওর অডিও ও ভিডিও এডিটিং খুবই ভালো ভাবে করতে হবে। তারপরে সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ভিউ টাইম হয়ে গেলে আপনি মানিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর পরে প্রতিটা ভিডিওতে মানিটাইজেশন একটিভেট করে নিলেই আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।

এছাড়াও বর্তমানে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়াও আপনি বিভিন্ন জায়গা থেকে স্পন্সারের মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারেন। দেখা গেলো কোনো একটা কোম্পানি কোনো একটা পন্যের মার্কেটিং এর জন্য আপনার ভিডিও তে তার ওই পন্য বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য বললো। আপনি এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে আপনাকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী সে পেমেন্ট করবে।

ইন্সটাগ্রাম থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

বিশ্বের অন্যতম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি হচ্ছে ইনস্টাগ্রাম। ম্যাসেজিং, ছবি, পোস্ট, ভিডিও শেয়ারিং ছাড়াও আয়ের অন্যতম এক প্লাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। শুধু ফেসবুকেই নয়, ইনস্টাগ্রাম থেকেও আয় করা সম্ভব। বর্তমানে বিশ্বে ১.৭০৪ বিলিয়ন মানুষ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফটো শেয়ারিং অ্যাপ থেকে বিজনেস প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে ইনস্টাগ্রাম। অনেক ব্যবসা ও পাবলিক ফিগার ইনস্টাগ্রাম থেকে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে অর্থ আয় করছেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী উপায়ে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করতে পারবেন-

পণ্য বিক্রি করেফেসবুকের মতো এখানেও আপনি আপনার ব্যবসায়িক পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। ইনস্টাগ্রাম শপ ফিচার ব্যবহার করে আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে প্রোডাক্টসমূহ প্রদর্শন করতে পারেন। এ ছাড়াও যে কোনো পোস্টে আপনার প্রোডাক্ট থাকলে তা ট্যাগ করার সুবিধা রয়েছে। এই ট্যাগে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি আপনার প্রোডাক্ট কিনতে পারবে।

তবে নিজের প্রোডাক্ট ইন্সটাগ্রামে বিক্রির ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার কোনো ফিজিক্যাল প্লেসে আপনার প্রোডাক্টসমূহ স্টোর করতে হবে। এরপর প্রোডাক্টসমূহের আকর্ষণীয় ছবি ইনস্টাগ্রামে আপলোড করুন প্রোডাক্ট ট্যাগ করে।

এভাবে আপনার ফলোয়ারগণ আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারবে। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংইনস্টাগ্রামে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং’কে আয়ের সবচেয়ে সেরা মাধ্যম হিসেবে দেখা হয়। আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আপনি যদি ইনফ্লুয়েন্সার স্ট্যাটাস অর্জনে সক্ষম হোন, সেক্ষেত্রে যে কোনো পণ্য বা ব্র্যান্ডকে সহজেই প্রোমোট করতে পারবেন।

এবার জেনে নিন ইনফ্লুয়েন্সার কী? ইনফ্লুয়েন্সার হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে নিয়মিত পোস্ট করে সম্মান ও ফলোয়ার অর্জন করেছেন। ইনফ্লুয়েন্সারদের ভালো ফলোয়িং থাকায় তারা তাদের দর্শককে কোনো প্রোডাক্ট কিনতে বা সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করতে পারে।

নিজেদের পণ্যের প্রচারে স্পন্সরড পোস্টের জন্য ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডগুলো। তবে ব্র্যান্ডের কাছ থেকে স্পন্সরড পোস্টের প্রস্তাব পেতে প্রথমেই ইনস্টাগ্রাম এর ফলোয়ার বাড়াতে হয় ও যথাযথ এনগেজমেন্ট থাকতে হয়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংইনস্টাগ্রামে অন্যদের প্রোডাক্ট প্রোমোট বা সেল করে বিক্রিত হওয়া প্রোডাক্টের অর্থের শেয়ার থেকে আয় করা সম্ভব। আয়ের এই উপায়টিকে বলা হয় অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।

তবে ইনফ্লুয়েন্সার ও অ্যাফিলিয়েট এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ইনফ্লুয়েন্সার শুধুমাত্র ব্র্যান্ডের অনুরোধে স্পন্সরড পোস্ট করে থাকে। অন্যদিকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর সেল বা লিড জেনারেট করতে কাজ করে।

অ্যাসিস্ট্যান্টআপনি নিজে যদি একজন ইনফ্লুয়েন্সার হতে না চান কিন্তু আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকে, তাহলে কোনো ব্র্যান্ড, পাবলিক ফিগার বা ইনফ্লুয়েন্সার এর অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেও আয় করতে পারেন।

স্পন্সরশিপ রিকুয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট, এড রান করা, ফেক ফলোয়ার আইডেন্টিফাই করার মত বিভিন্ন কাজে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আপনি চাইলে এসব কাজে ইনফ্লুয়েন্সারদের সাহায্য করতে পারেন ও তার বিনিময়ে অর্থ চার্জ করতে পারেন। ফাইভার ও আপওয়ার্ক এ এই ধরণের প্রচুর কাজ পাওয়া যায়।

ফটোগ্রাফিইনস্টাগ্রাম এর মূল প্রাণ কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটিতে পোস্ট করা ফটো ও ভিডিও। আপনি যদি ফটোগ্রাফিতে দক্ষ হয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে একাধিক উপায়ে ইনস্টাগ্রাম আপনার আয়ের মাধ্যম হতে পারে।

অনেক ব্র্যান্ড তাদের প্রোডাক্টের প্রফেশনাল ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করার জন্য ফটোগ্রাফার খোঁজেন। এছাড়াও আপনি চাইলে কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে আপনার প্রপোজাল নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

এ ছাড়াও ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রায় সময় ফটোশুট এর প্রয়োজন হয়। ইনফ্লুয়েন্সারদের ফটোশুট করেও ভালো অর্থ আয় সম্ভব।

টিকটক করে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

বর্তমানে টিকটক অনেক জনপ্রিয় একটি প্লাটফর্ম। টিকটকের মাধ্যমেও আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।

নিচে টিকটকের মাধ্যমে ইনকাম এর কয়েকটি পদ্ধতি বলা হলো। টিকটকের সাহায্যে আপনি মূলত কয়েকটি উপায়ে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন যেমন ব্র্যান্ডের অংশীদারিত্ব থেকে, ব্র্যান্ডের অংশীদারিত্ব থেকে, পণ্যদ্রব্য বিক্রয়, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে, স্পনসরিত ইভেন্টে অংশ নেওয়া ইত্যাদি।

আপনি শুনে বিশ্বাস করতে পারবেন না, একটি জনপ্রিয় টিকটোক তারকা সহজেই 2 থেকে 3 লক্ষ টাকা আয় করেন।

টিকটক একটি টাকা আয় করার apps, টিকটক আপনাকে কেবল 15 সেকেন্ডের Video করতে হবে। এর জন্য আপনি কমপক্ষে আধ ঘন্টা সময় নিতে পারবেন এবং যদি আপনি অল্প সময়ের মধ্যে TikTok Video তৈরি করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন তবে তা আপনার পক্ষে মিষ্টি।

তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী পদ্ধতি রয়েছে যাতে আপনি এই টিকটক অ্যাপ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

লাইভ স্ট্রিমিং টিক টকের প্রাথমিক উপার্জন পদ্ধতিটি হ’ল, আপনি ইমোজিগুলি অর্জন করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। টিক টকে একটি লাইভ স্ট্রিম বিকল্প রয়েছে যা আপনি 1000 ফলোয়ার থাকার পরে পেতে পারেন। আপনার লাইভ হিসাবে আপনার ফলোয়ার বা ভক্তরা আপনাকে ইমোজি পাঠায়।

প্রতিটি ইমোজিগুলির জন্য আপনি কিছু কয়েন পাবেন যা থেকে আপনি টাকা ইনকাম বা অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

প্রচুর প্রতিযোগী চলছে, আপনি যদি এই কনটেস্টে অংশ নিয়ে থাকেন এবং আপনার ভিডিওটি ট্রেন্ডিংয়ে চলে যায় বা নির্বাচিত হয়ে যায়, আপনি এখানে 100 ডলার, $ 1000 কুপন, আইফোন এবং এর মতো পুরস্কার জিততে পারবেন প্রচুর আনুষাঙ্গিক।

আপনার যদি ব্যাপক ফলোয়ার থাকে বা অনুসারী থাকে তবে সংস্থাটি আপনাকে প্রচুর উপহার প্রেরণ করে। এটি আপনার উপার্জনের মাধ্যমও হতে পারে। টিক টক এপ থেকে টাকা ইনকামরে এটি ভালো উপায় হতে পারে।

ইউটিউবের মতো টিকটকেও, আপনি অনেক বেশি অনুরাগীর সাথে সাথে Sponsorship থেকে অর্থ উপার্জন টাকা আয় করতে পারেন, এইভাবে ব্র্যান্ড এবং সংস্থাগুলি স্পনসরশিপের জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

আপনার Follower যেমন টিকটকে বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি জনপ্রিয় হবেন, তেমনিভাবে লোকেরা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মতো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে আপনাকে অনুসরণ করবে। এতে অনেকগুলি ব্র্যান্ড রয়েছে, এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন যারা আপনাকে তাদের প্রতিষ্টান বা নিজেকে সবার মাঝে প্রচার করতে বা শাউট আউট দিয়ে প্রচার করতে অনুরোধ করবেন এবং আপনি এটি থেকে অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন।

ব্লগিং করে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

ব্লগিং অনলাইন আয়ের বেশ পুরাতন কিন্তু অনেক কার্যকরী একটা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বেশ ভালো অঙ্কের একটা টাকা প্রতি মাসেই ইনকাম করা সম্ভব। এটি মূলত একটি ডিজিটাল নিউজ পেপার এর মতো। আপনি আপনার মন মতো কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিখবেন। যার ওই বিষয়টি জানার দরকার সে এসে পড়ে যাবে।

আপনি এখন যে লেখাটি পড়ছেন এটিও একটি ব্লগ। অতএব বুঝতেই পারছেন বিষয়টা। লেখালেখি যদি আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই এখান থেকে ইনকাম করতে পারেন। আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ, জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা বেশি সে বিষয়ে ব্লগিং করলে তা সবথেকে বেশি কাজে দেয়।

তাই আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সেই নিশেই (niche) কাজ করতে পারেন। নিশ(niche) বলতে মূলত নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ বোঝায় যেমন, খেলাধুলা, টেকনোলজি, আইন, রান্না, জীবনী, ভ্রমন, ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ ভ্রমনের ক্ষেত্রে আপনি কোনো এক জায়গায় ভ্রমনে গিয়ে কি কি অভিজ্ঞতা হয়েছিলো সেটি নিয়ে একটি বিস্তারিত ব্লগ লিখে ফেলতে পারেন। এখন মূল বিষয় হলো আপনি কোথায় লেখা লিখি করবেন।

এক্ষেত্রে সব থেকে ভালো হয় আপনি যদি একটি ব্লগ সাইট নিজে বানিয়ে নিতে পারেন। এখন অনেক সহজে কোনো খরচ ছাড়াই ব্লগ সাইট বানানো যায়। তবে ফ্রি সাইটগুলো কে মানুষ একটি কম বিশ্বাস করে।

তাই আমাদের পরামর্শ থাকবে প্রথমে কিছু টাকা খরচ করে ডোমেন কিনে হোস্টিং ঠিক করে আকর্ষণীয় একটি সাইট তৈরি করুন। এরপর ওখানে লেখা লেখি শুরু করুন। দেখবেন বেশ ভালো ফল পাচ্ছেন। একটি ডট কম ডোমেন কিনবেন সাথে এক জিবি হোস্টিং এবং একটি ফ্রি থিম।

এই তিনটা জিনিসই আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে আপনার তিন হাজার টাকা মতো খরচ হতে পারে। এইভাবে খরচ করে ব্লগিং করলে আপনার ব্র্যান্ডিং টা ভালো হবে এবং ইনকাম এর পরিমানও অনেক বেশি হবে ফি সাইটের তুলনায়।

আর ভবিষ্যতে আপনার সাইট এর দামও অনেক হবে। ক্ষেত্র বিশেষে একটি ভালো সাইটের মূল্য কয়েক লক্ষ্য পর্যন্ত হয়ে যায়।

আর ফ্রি সাইট গুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো ডোমেইন দিবে না গুগোল। আপনি সেক্ষেত্রে পাবেন সাব ডোমেইন। এভাবে ব্লগ সাইট খোলার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই ব্লগস্পট দিয়ে ১০ মিনিটেই একটি ব্লগসাইট খুলতে পারেন। আর এক্ষেত্রে আপনি মোবাইল এবং কম্পিউটার উভয় মাধ্যমেই কাজ করতে পারেন। তাই যারা মোবাইলে অনলাইন ইনকামের কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি একটি সেরা সুযোগ হতে পারে।

তবে এতো কিছুর পাশাপাশি আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিছুটা ধারনা থাকে তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই আপনার সেই ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি কিন্তু আপনার ইনকামের পরিমাণ বহুগুণে বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই।

ওয়েব ডিজাইন করে আয় করার সহজ উপায়:

ওয়েব ডিজাইনিং হল ওয়েব সাইটের জন্য লেআউট, কনটেন্ট প্রোডাকশন, ওয়েবপেইজ ইত্যাদি ডিজাইন করে দেওয়া। ওয়েব ডিজাইনিং এর অনেক মূল্য বর্তমান বাজারে অনেক। যতগুলি ওয়েবসাইট আছে প্রত্যেক ওয়েবসাইটে একটি ওয়েব ডিজাইনার প্রয়োজন হয়।

যদি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট কেউ করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই একজন ওয়েব ডিজাইনার এর সাহায্য নিতে হবে। ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনারের ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস অনেক মূল্য। কাজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজের রেটও অনেক বেশি হয়ে থাকে।

যদি ভালোভাবে ডিজাইন শিখতে পারেন অনলাইনে ইনকাম করার জন্য আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। এবং যা হবে আপনার জন্য দীর্ঘস্থায়ী অনলাইন ইনকামের পথ। যদি আপনার এই কাজ শিখার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইন  গুগলে সার্চ করে বা ইউটিউবে সার্চ করে টিটোরিয়াল দেখে শিখতে পারবেন। আর আপনি ইচ্ছা করলে কোন বিশ্বস্ত আইটি কোম্পানির অধীনে ওয়েব ডিজাইন এর উপরে কোর্স করতে পারেন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয় করার সহজ উপায়:

অনলাইনে যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার সেরা মানের ওয়েবসাইট আছে, তেমনই গ্রাফিক্স ডিজাইন করে অনলাইনে আয় করারও অনেক উপায় রয়েছে। এর মাঝে সবচেয়ে ইফেক্টিভ এবং সহজ উপায়গুলো থেকে ১০টি নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।

আপনি এখানকার এক বা একাধিক কিংবা সবগুলো উপায়ই ব্যবহার করতে পারেন এবং বেশি থেকে বেশি পরিমাণে অনলাইনে আয় করতে পারেন।

ফন্ট ডিজাইন বর্তমান বিশ্বে একটি অনেক বড় বিজনেস। আপনি যদি ক্রিয়েটিভ হন বা নতুনভাবে কোন শব্দ বা অক্ষর লিখতে পারেন, তাহলে আপনি ফন্ট ডিজাইন করে অনেক আয় করতে পারবেন। ETSY একটি বিশ্বস্ত ফন্ট বিক্রির ওয়েবসাইট। আপনি চাইলে নতুন ফন্ট তৈরি করে এই ওয়েবসাইটে বিক্রি করতে পারেন। এটি একটি প্যাসিভ আয়; আপনার ফন্ট যত বার বিক্রি হবে, তত বার আপনি টাকা পাবেন।

প্রতিদিন প্রচুর টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে। আর টি-শার্ট এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন। আর এই ডিজাইন করার জন্য প্রয়োজন অনেক টি-শার্ট ডিজাইনার। Redbubble, Threadless, Teespring হল টি-শার্ট ডিজাইন বিক্রি করার ওয়েবসাইট।

এসব ওয়েবসাইটে আপনি নিজের মত করে টি-শার্ট ডিজাইন করে বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া আপনি নিজে ডিজাইন করে টি-শার্ট বানিয়ে বাংলাদেশী বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বিক্রি করতে পারেন।

বর্তমানে স্টক গ্রাফিক্সের প্রচুর চাহিদা। বিভিন্ন কোম্পানি স্টক গ্রাফিক্স থেকে তাদের প্রয়োজনীয় ছবি, ক্লিপ আর্ট, ইত্যাদি নিয়ে থাকে। কারণ স্টক গ্রাফিক্স সবাই ব্যবহার করতে পারে না, এগুলো স্টক মার্কেটপ্লেস থেকে কিনে ব্যবহার করতে হয়।

আপনি চাইলে বিভিন্ন লোগো, ক্লিপ আর্ট, ভেক্টর ডিজাইনসহ আরও অনেক ধরণের ডিজাইন স্টক মার্কেট এ বিক্রি করতে পারেন। মনে রাখবেন, এটি একটি প্যাসিভ আয়, তাই আপনি একটি ভাল ডিজাইন আপলোড দিয়ে অনেক দিন সেই ডিজাইন থেকে আয় করতে পারেন।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা লোগো ডিজাইন করে আয় করতে চান; অর্থাৎ যারা প্রফেশনাল টাইপের লোগো তৈরি করতে পারেন, তারা তাদের লোগো এর বিনিময়ে টাকা আয় করতে পারেন।

আপনি চাইলে বিভিন্ন উপায়ে আপনার তৈরীকৃত লোগো এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যার মধ্যে থেকে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে লোগো ডিজাইন করে আয়।

আপনি যদি সবচেয়ে জনপ্রিয় কয়েকটি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে জয়েন করে, তারপরে লোগো ডিজাইন করার মাধ্যমে আয় করতে চান তাহলে নিম্নলিখিত ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করুন।

  • Upwork
  • Toptal
  • Simply Hired
  • PeoplePerHour
  • Aquent

উপরে উল্লেখিত ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে যখনই আপনি একজন বায়ার হিসেবে যুক্ত হয়ে যাবেন, তখন আপনি একটি গিগ তৈরি করতে পারবেন এবং সেখানে আপনার লোগো ডিজাইনে ধারা বর্ণনা করতে পারবেন।

ফটোগ্রাফি করে আয় করার সহজ উপায়:

আমাদের বর্তমান জেনারেশনে স্মার্টফোন নেই এমন মানুষের সংখ্যা হাতে গণা। অনেকের কাছে আবার বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরাও বিদ্যমান। আপনি চাইলে আপনার এই মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু বিভিন্ন আকর্ষণীয় জিনিসের ছবি তুলতে হবে। সেটা আপনি আপনা মোবাইল ফোন দিয়েও তুলতে পারেন আবার ক্যামেরা দিয়েও তুলতে পারেন। তারপর চাইলে একটু এডিট করে অথবা “র” (Raw) ফাইলই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করে সেখান থেকে এক একটি ছবির জন্য ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

আপনি যদি অল্প সল্প ফটো এডিটিং জানেন, তাহলে এক্ষেত্রে অনেক সুবিধা লাভ করতে পারবেন। Photoshop, Illustrator ইত্যাদির মাধ্যমে ছবির আকর্ষণীয়তা অনেক ক্ষেত্রেই জানা বাড়ানো যায়।

অনলাইনে ছবি বিক্রির জন্য অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন আপনি। তার মধ্যে, Shutterstock, 500px, Envato ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয় এবং সব থেকে বেশি পে করে থাকে ফটোগ্রাফারদেরকে। আপনি এইসব ওয়েবসাইট গুলো তে যে ছবি গুলো বিক্রি করবেন সেগুলো আবার ওই ওয়েবসাইট থেকেই বিভিন্ন মানুষ ক্রয় করে নিবে।

এইসব ছবি গ্রাফিক ডিজাইনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। বিভিন্ন বইয়ের কাভারে, ব্যানারে, ফেস্টুনে এইসব ছবি বিক্রি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ডাটা এন্ট্রি করে ইনকাম করার উপায়:

তথ্য প্রযুক্তির আধুনিক যুগে, ডাটা সুবিন্যস্ত করা খুব জরুরী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি, খুব সহজেই এই কাজের দক্ষতা অর্জন করা যায়। এবং, এই দক্ষতাকে ব্যবহার করে অর্থও উপার্জন করা যায়।

ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ করতে পারেন। এ কাজ করে আপনি মাসে ১৫০০০-২০০০০  টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে, অবশ্যই আপনার টাইপিং স্পিড ভালো হতে হবে। কেননা, টাইপিং স্পিডের উপর নির্ভর করে আপনার আয় উঠা নামা করবে।

ডাটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে ই-মেইল প্রক্রিয়াজাত করে অনেক অর্থ উপার্জন করা যায়। এক্ষেত্রে, আপনাকে বেশ কয়েকটি কাজ করতে হবে। প্রথমে এক্সেল স্প্রেডশিট বানাতে হবে ইমেইল চেক করতে। তারপর, একটি তালিকা করে দৈনিক শত শত মেইল প্রসেসিং করতে হবে। কাজটা একটু জটিল। তবে, করতে পারলে বিপুল পরিমান অর্থ আয় করতে পারবেন।

ডাটা ফরমেটিংয়ের কাজে আপনাকে টাইপ করতে হয় কম। এবং, ফর্মেটিং করতে হয় বেশি। তবে, এই কাজে আয়ের পরিমাণটাও মোটামুটি ভালোই বলা চলে। বিভিন্ন ক্যাটালগ থেকে ওয়েব সিস্টেমে তথ্য লেখাই এই ডাটা এন্ট্রির কাজ।

এক্ষেত্রে, আপনাকে আইন বিভাগগুলো ও বীমা দাবীগুলো পড়তে হবে। তারপর, সেখান থেকে তথ্য ওয়ার্ড ফাইল বা এক্সেল স্প্রেডশিটে লিখতে হবে। এ কাজে আপনাকে অনেক তথ্যই লিখতে বলা হতে পারে। উদাহারণস্বরূপ: অটোমোবাইলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, মালিকের নাম ইত্যাদি।

একটি ফাইল থেকে ডাটা কপি করে অন্য একটিতে পেস্ট করা। সাধারণত, কাজটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বা এক্সেল স্প্রেডশিটে করা হয়ে থাকে। কপি-পেস্টের কাজে খুব বেশি টাইপ করতে হয় না। তবে, এই কাজ করার জন্য ইংরেজিতে দক্ষ হওয়া খুব জরুরি।

সাধারণত ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফর্মেটিং, ফর্মেটিং  জবস এর মধ্যে থাকে। এখানে, এলিগনিং প্যারাগ্রাফ, ইনডেনটেশন, ফন্টস ইত্যাদি কাজগুলো করা লাগে। এছাড়াও, আপনাকে অনেক সময় বড় কোনো ফরম ফরমেট করতে হতে পারে।

সেখানে, বিভিন্ন রকমের ফিল্ড থাকবে; যেমন- নাম, ইমেইল আইডি, এড্রেস, ফোন নাম্বার ইত্যাদি। ইমেজ থেকে টেক্সট ডাটা এন্ট্রির কাজ করেও আপনি ইনকাম করতে পারবেন। ডাটা ফরমেটিংয়ের কাজে আপনাকে টাইপ করতে হয় কম। এবং, ফর্মেটিং করতে হয় বেশি।

তবে, এই কাজে আয়ের পরিমাণটাও মোটামুটি ভালোই বলা চলে।ডাটা ফরমেটিংয়ের কাজে আপনাকে টাইপ করতে হয় কম। এবং, ফর্মেটিং করতে হয় বেশি। তবে, এই কাজে আয়ের পরিমাণটাও মোটামুটি ভালোই বলা চলে। এখানে, আপনাকে একটি ছবি দেয়া হবে। ছবিটি হতে পারে কোনো স্ক্রিনশটও।

আপনাকে সেই ছবি থেকে পড়ে ওয়ার্ড ডকুমেন্টে লিখতে হবে। তবে, আপনাকে মনে রাখতে হবে, এগুলো কোনো সাধারণ শব্দ না। এগুলো, এমন কোনো শব্দ যা হতে পারে আপনি এর আগে কখনো শুনেননি।

এসইও করে আয় করার সহজ উপায়:

এসইও করে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন স্পেশালিস্ট হিসেবে আয়। যেহেতু এসইও ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তাই বড় কোম্পানি থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি ব্যবসায়ীরাও এখন এসইও এর দিকে সমান ভাবে ঝুঁকছেন।

যেহেতু এসইও একটি তুলনামূলক ভাবে সাশ্রয়ী অনলাইন বিপণন পদ্ধতি এই কারণে এসইও প্রফেশনালদের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এর কারণ এসইও একটু সময়সাপেক্ষ বিষয় হয়েও একবার কাজ করে শুরু করলে এসইও বেশি সময়ের জন্য ভালো ফল পাওয়া যায়।

শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মার্কেটে নয় বর্তমান ক্ষেত্রে বিভিন্ন লোকাল মার্কেটে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন স্পেশালিস্টদের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। গুগল মাই বিসনেস (Google My Business ) থেকে শুরু করে লোকাল এসইও এর দিকে আজকাল সবাই ঝুঁকছে।

কেউ আজ অনলাইন ব্যাবসার এই লাভজনক বিষয়টি ছাড়তে চায় না। ছোট-বড় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তাই লোকাল এসইও দিয়ে নিজেদের কাস্টমার বাড়াতে চায়। তাই আপনি নানা অনলাইন ফ্রীল্যানসিং ওয়েবসাইট যেমন ফ্রীলান্সার ডট কম,People Per hour থেকে প্রজেক্ট তুলে সেখান থেকে একটি ভালো পরিমাণ অর্থ আয় করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে আপনাকে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে আপনার প্রজেক্ট ডেলিভারির যেন সময়মতো হয়। আপনি যত দ্রুত আর ভালো কাজ করতে পারবেন ততই আপনি ভালো ক্লায়েন্ট রিভিউ পাবেন যা আপনাকে আরো ভালো কাজ পেতে সাহায্য করবে। একজন দক্ষ ফ্রীলান্সার এসইও করে সজজেই মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করতে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করার সহজ উপায়:

ডিজিটাল মার্কেটিং করে অনলাইনে টাকা আয় করার জন্য সর্বপ্রথম আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্বন্ধে খুব ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করে নিতে হবে। আপনি যখন পুরোপুরি ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট হয়ে যাবেন তখন আপনি আপনার পছন্দ মত যে কোন একটি মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করবেন। হতে পারে সেটি ফাইবার অথবা আপওয়ার্ক।

আপনার পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করা মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করার পর ডিজিটাল মার্কেটিং এর যেকোনো একটি মাধ্যম বা বিষয়ের উপরে একটি গিগ তৈরি করবেন। হতে পারে সেটি ফেসবুক মার্কেটিং। আর এই গিগ ভিতর উল্লেখ থাকবে যে, আপনি কোন কাজের উপরে কত ডেলিভারি চার্জ নিয়ে থাকবেন।

গিগটি আপনাকে সুন্দর করে সাজাতে হবে। এভাবে  আপনার দক্ষতার উপরে চার-পাঁচটি এসইও সমৃদ্ধ গিগ তৈরি করবেন। নতুন অবস্থায় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ পেতে আপনার একটু সমস্যা অথবা দেরি হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি বিড করে কাজ নিবেন।

তারপর আপনি যখন আস্তে আস্তে  ভালোভাবে কয়েকটি কাজ ক্লাইন্টকে ডেলিভারি দিবেন এবং ফাইভস্টার রিভিউ পাবেন তখন আপনার গিগটি মার্কেটপ্লেস এরমধ্যে রেঙ্ক হতে থাকবে। আর যত রেঙ্ক  হবে আপনি  অটোমেটিকলি ততই কাজ পেতে থাকবেন।  এভাবে একসময় আপনার কাজের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করার সহজ উপায়:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) বর্তমানে সারা বিশ্বেই অনেক জনপ্রিয় একটি অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও আস্তে আস্তে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এর সংখ্যা বাড়ছে।

এটি অনেক সহজ একটি মাধ্যম। কিন্তু সাধারন মানুষের অনেকেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা না থাকার কারনে এই কাজে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করছেনা। আসুন বিষয়টা খুব সহজে বুঝে নেই। বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট রয়েছে।

এদের ভেতরে অনেকগুলো আবার সারা বিশ্বেই পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে। এইসব ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রত্যেকটাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) নামে একটি সেকশন রয়েছে।

আপনি সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই তাদের মেম্বার হয়ে যেতে পারেন। তারপর আপনার একটা গ্রুপ তৈরি করতে হবে বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে। এরকম গ্রুপ আমাদের প্রতিটি মানুষেরই আছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

এখন ওই নির্দিষ্ট ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট থেকে আপনি বিভিন্ন পন্যের বিবরন সহ ওই লিঙ্ক কপি করে বিভিন্ন গ্রুপে পাঠাতে হবে। এবার ওখানে থেকে ওই লিঙ্কে ক্লিক করে যদি কেও পন্যটি কিনে তাহলে আপনি সেটার থেকে নির্দিষ্ট পরিমানের একটি কমিশন পাবেন। এক্ষেত্রে আপনার কমিশনের জন্য কিন্তু পন্যটির দাম বাড়বে না। পন্যটির আসল যে দাম সেটি দিয়ে  মানুষ কিনতে পারবে আপনার পাঠানো লিঙ্ক থেকে।

তবে এ ধরনের কাজ করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং সর্ম্পকেও পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ধারনা থাকা চাই। এভাবে অনেক টাকায় ইনকাম করা সম্ভব হয় যদি আপনি ভালো একটি কমিউনিটি তৈরি করে ফেলতে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে এখান থেকে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারেন।

এর জন্য আপনার দরকার অনেক গুলো একটিভ ইমেইল। আপনি যদি হাজার খানের একটিভ ইমেইল ম্যানেজ করে  ফেলতে পারেন, তাহলেই খুব সহজে এখানে থেকে ভালো অঙ্কের একটি টাকা ইনকাম করে ফেলতে পারেন। বর্তমানে অ্যামাজন এফিলিয়েশন প্রোগ্রাম (Amazon Affiliation Program) বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

কন্টেন্ট রাইটিং করে ইনকাম করার সহজ উপায়:

কনটেন্ট রাইটিং করে আপনি যদি কোন লোক তৈরি করেন তাহলে তার মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। কিন্তু তার জন্য আপনার একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট থাকতে হবে।

আপনি আপনার ব্লগিং ওয়েবসাইট এ বিভিন্ন বিষয়বস্তু বা কোন টপিকের উপর লেখালেখি করে আয় করতে পারেন। আয় করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স যোগ করতে হবে। মানুষ যখন আপনি যে বিষয়ে লিখেছেন সেগুলো পড়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে তখন গুগল এডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।

কারন গুগল এডসেন্স তখন আপনার ওয়েবসাইটে এড শো করবে যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারবেন।

ই-কমার্সের মাধ্যমে আয় করার সহজ উপায়:

অনলাইনে পণ্য বিক্রি যাকে বলা হয় ই-কমার্স। ই-কমার্স এর মাধ্যমে আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এজন্য অবশ্য আপনাকে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে।

 ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরী করতে সর্বপ্রথম যে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে তা হল আপনি কোন ধরনের পন্য বিক্রি করবেন তা নির্দিষ্ট করা। পন্য নির্ধারন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই বিচক্ষন হতে হবে।

কারন আপনার নির্ধারিত পন্যের এর চাহিদা কেমন হবে, পন্য বিক্রয় করে কেমন লাভ হবে, পন্য ক্রেতার নিকট পৌছানোর পরিবহন খরচ কেমন পরবে তা চিন্তা না করে যেমন খুশি তেমন সাজো এর মত পন্য সিলেক্ট করলে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে ব্যবসার শুরুতেই।

আবার নিজের বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই এরকম পন্য সিলেক্ট করা ও বোকামি। পন্য নির্বাচন করার আগে অবশ্যই আপনার প্রতিদ্ধন্দী কারা, তাদের মার্কেট পজিশন কোন স্তরে তা বিবেচনা করা উচিত। কখোনই এমন পন্য বিক্রির চেষ্টা করবেন না যেটি অন্য বিখ্যাত ইকমার্স ওয়েবসাইট দ্বারা মার্কেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ চাহিদা পুরন করা হচ্ছে সফলতার সাথে।

আর পন্য মানের সাথে কার্পণ্য করা চলবে না। সব সময় বাজারের সেরা পন্যটি আপনার ক্রেতার হাতে তুলে দেবার চেষ্টা রাখতে হবে। আর এভাবে আপনি আপনার ই-কমার্স এর মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।  

সোশাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করে আয় করার সহজ উপায়:

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার ক্লায়েন্ট এবং বিজনেস এ সেবার মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করতে পারে, তাও আবার অনলাইনে ঘরে বসেই। যদি তারা একটি কোম্পানির জন্য কাজ করে তাহলে সাধারণত তারা মাসের স্যালারি নিতে পারে। যদি তারা হয় আত্মকর্মী মানে সেলফ -এমপ্লয়েড তাহলে প্রতি ঘন্টা অথবা বিভিন্ন প্রজেক্ট অনুযায়ী তাদেরকে টাকা দেয়া হয়ে থাকে।

self-employed সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সাধারণত মান্থলি সার্ভিস প্যাকেজ নিয়ে থাকে এবং যেকোন একটি ব্র্যান্ড অথবা কোম্পানির সাথে চুক্তি করে থাকে। একদম সর্ব নিম্ন লেভেলের একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে সোশ্যাল মিডিয়ায় সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন দুই থেকে তিনবার কাজ করার জন্য নিয়োগ দেয়া হতে পারে।

এবং একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বিভিন্ন গ্রাউন্ডে পোস্টিং এর পাশাপাশি মাল্টিপল প্লাটফর্মে কাজ করে। বিভিন্ন কোম্পানি অথবা ওয়েবসাইট মান্থলি সোশ্যাল মিডিয়া প্যাকেজ দিয়ে থাকে, যাতে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সেখানে কাজ করে ওই কোম্পানির রেফারেন্সে।

মিউজিক বিক্রি করে আয় করার সহজ উপায়:

আজকাল, অফলাইন গায়ক বা সংগীতশিল্পী হিসাবে ক্যারিয়ার শুরু করতে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হয়। ক্যারিয়ার শুরু করলেও বেশিরভাগ সময় আশানুরূপ ফল হয় না। তবে এই গানগুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে আপনি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে পারেন। এছাড়াও, আপনি মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

ওয়েবসাইটে আপলোড করা গানগুলো বিভিন্ন ব্যক্তি/কোম্পানী ক্রয় করে থাকে। গানগুলি বাণিজ্যিক ভিডিও, রেডিও সম্প্রচার, উপস্থাপনা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। গান, মিউজিক বা সাউন্ড ইফেক্ট বিক্রি করে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না।

আপনি শুধুমাত্র এই সাইটের কিছু জন্য সাইন আপ করে গুণমান কন্টেন্ট আপলোড করতে পারেন, যে সাইট বাকি কাজ করবে. অনলাইনে গান, মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট বিক্রি করে আয়ের জনপ্রিয় কিছু সাইট হলো লাকস্টক, সাউন্ডটকম, ফাইভার ইত্যাদি।

বিভিন্ন এপ রেফার করে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য যেসকল মাধ্যম রয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সহজে মাধ্যম হলো রেফার করা। আপনারা যারা সামান্যতম দক্ষতা নেই কিন্তু ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা তাঁদের মোবাইল ফোনের ব্যবহার করার মাধ্যমেই এই কাজটি করতে পারবেন।

আজকের আলোচনায় আমরা বেশ কিছু অ্যাপ্লিকেশন ও ওয়েব সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব যেসকল ওয়েবসাইটের লিংক আপনি যদি শেয়ার করেন তাহলে তার বিনিময়ে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আজকের আলোচনার ভিত্তিতে আপনারা জানতে পারবেন রেফার কি কিভাবে রেফার করতে হয় রেফার কোড কিভাবে জেনারেট করতে হয় তা সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য। এসকল তথ্য গুলো জানার পর আপনি আমাদের নির্দেশনা অনুসরণ করলে রেফার করার মাধ্যমে প্রতি মাসে 10 হাজার টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন

রেফার করে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে প্রথমে আপনাকে এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা লাগবে। অনলাইন সেক্টরে কাজ করা বর্তমানে অনেক বেশি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে কেননা অন্যান্য সকল স্থানে যেমন প্রতিযোগিতা রয়েছে ঠিক তেমনি ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম করার উপযোগিতা অনেক।

এ অবস্থায় আপনি যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে রেফার করে টাকা ইনকাম করবেন তাহলে আপনাকে প্রথমেই রেফার কি এবং কিভাবে তা করতে হয় তা সম্পর্কে জানতে হবে।

অনলাইনে কোর্স করিয়ে আয় করার সহজ উপায়:

আমাদের আসে পাশে অনেক মানুষই দেখতে পাবেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে অথবা কোনো কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে পড়াচ্ছেন। এভাবে পড়িয়ে মাসে অনেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। কিন্তু এভাবে বাসায় গিয়ে গিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় এবং অর্থ যাতায়াতেই চলে যায়।

অন্যদিকে কোচিং সেন্টারের জায়গা জোগাড় করাও একটি কষ্টসাধ্য বিষয়। এক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সেটি হলো অনলাইন টিচার (Online Teacher) কনসেপ্ট।

আপনি চাইলেই ঘরে বসেই অনলাইনে ছাত্রদের পড়িয়ে অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করে নিতে পারেন। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে বর্তমান বিশ্বে ৫০ শতাংশ শিক্ষক অনলাইনে শিক্ষা দিচ্ছেন।

সারাবিশ্বে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে অনেক বেশি। বর্তমানে আমাদের দেশে এরকম বেশ কয়েকটি প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে অনলাইনে পড়ানো হয়ে। এর মধ্যে টেন মিনিট স্কুল অন্যতম। আপনি তাদের থেকেও অনেক ধারনা নিতে পারেন। প্রথমে হয়তো বিভিন্ন বাধা বিপত্তি আসবে, ছাত্র খুজতে বেগ পেতে হবে, কিন্তু পরবর্তীতে অনেক সুবিধা পেতে পারেন এখানে থেকে।

অনলাইনে পরামর্শদাতা হয়ে আয় করার সহজ উপায়:

আপনি একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার এবং আপনি অনলাইনে ভালো অর্থ উপার্জন করেন। এখন আপনি একটি এজেন্সি খুলেছেন যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন আয়ের বিষয়ে পরামর্শ পেতে পারেন এবং বিনিময়ে আপনি কিছু টাকা পেতে পারেন।

আরেকটা উদাহরণ দেওয়া যাক, ধরা যাক আপনি একজন ভালো ফিটনেস প্রশিক্ষক, আপনি জানেন কীভাবে আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হয়। আপনি একটি এজেন্সি স্থাপন করেন যার মাধ্যমে আপনি অন্যদের ফিটনেস পরামর্শ দিতে পারেন এবং বিনিময়ে কিছু টাকা নিতে পারেন। তবে উপরের প্রতিটি কাজের জন্য আপনাকে একটি অনলাইন এজেন্সি খুলতে হবে।

ইমেইল তৈরি করে আয় করার সহজ উপায়:

একটি জিমেইল একাউন্ট  খোলা মাত্র ২ মিনিটের ব্যাপার। আপনি যতো বেশি জিমেইল খুলবেন তত বেশি জিমেইল বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারেন। এই জিমেইল একাউন্ট গুলোর দাম ৫ টাকা থেকে ২০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।

এটা সম্পুর্ন আপনার উপর নির্ভর করে যে,আপনি কত টাকায় জিমেইল টি বিক্রি করবেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইমেইলের অনেক দাম আপনি৷  বিভিন্ন ভিপিএন ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ইমেইল খুলে ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে তা বিক্রি করতে পারেন।

অনুবাদ করে আয় করার সহজ উপায়:

ইংরেজি, বাংলা ব্যতীত অন্য কোনও ভাষা জানার ফলে আপনাকে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে সহায়তা করতে পারে। বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে যা অনুবাদ প্রকল্পগুলি সরবরাহ করে। যার জন্য একটি ভাষা থেকে অন্য ভাষায় একটি নথি অনুবাদ করা প্রয়োজন।

এর মধ্যে স্প্যানিশ, ফরাসি, আরব, জার্মান বা অন্য কোনও ভাষা ইংরেজিতে বা থেকে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। অনেকের জন্য অনুবাদ কাজটি সময় সাশ্রয়ী করে তুলতে পারে। তাই বিশ্বজুড়ে যে কোনও জায়গা থেকে অনলাইনে অনুবাদকারীদের ভাড়া নেয়।।

Freelancer.in, Fiverr.com, worknhire.com অথবা Upwork.com এর মতো বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট আপনাকে পেশাদার অনুবাদক হিসাবে ভাড়া করতে সাহায্য করে। যাদের অনুবাদ করার মত জ্ঞান বা তাদের নিজস্ব প্রকল্পগুলি নিজেরাই শেষ করার সময় নেই।

তারা এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে তাদের কাজ উস্থাপন করে রাখে। যেখানে আপনি এসব সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে রাখতে পারেন। রেজিষ্ট্রেশনের পর অনুবাদ কাজের উপর বিড শুরু করতে পারেন। এখানে সাধারণত প্রতি শব্দ অনুবাদ করে ১ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। আবার কিছু কিছু ভাষার প্রতি শব্দ অনুবাদ করার জন্য ১০ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন।

এছাড়াও ইংরেজি বিভিন্ন বই বা আর্টিকেল বাংলায় অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন দেশের সাহিত্য সম্পর্কিত বই মাতৃভাষায় অনুবাদ করে বই প্রকাশের মাধ্যমেও আয় করতে পারেন।

সার্ভে বা জরিপ করে আয় করার সহজ উপায়:

বিভিন্ন সার্ভে বা জরিপে অংশগ্রহণ করেও আপনি অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। অনেক সময় দেখা যায় যে কোন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট বাজারে ছেড়ে দিয়ে, বাজার মান যাচাই করার জন্য বিভিন্ন ধরনের জরিপ কাজে অংশগ্রহণ করে।

আপনি এসব জরিপ কাজে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে একটি মোবাইল ফোন থাকলেই আপনি জরিপ কাজের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

ভার্চুয়াল এসিস্ট্যান্ট হয়ে আয় করার সহজ উপায়:

বাড়ি থেকে অন্যকারো সমস্ত কর্পোরেট কাজ করাকে ভার্চুয়াল সহকারী বলা হয়।। ভার্চুয়াল সহকারী মূলত তাদের ক্লায়েন্টদের সাথে দূর থেকে কাজ করে এবং তাদের ব্যবসায়ের দিকগুলি পরিচালনা করে। ক্লায়েন্টরা যেহেতু নিজেরাই খুব ব্যস্ত থাকে।

তাই অন্যকাউকে দিয়ে অনলাইনে কাজগুলি করিয়ে নেয়। আপনি যখন ভার্চুয়াল সহকারী হিসাবে কাজ করবেন, আপনি একজন কর্মচারী হিসাবে কাজ বেছে নিতে পারেন। আপনি নিজের ব্যবসা সেট আপ করতে পারেন।

ভার্চুয়াল সহকারীরা দক্ষ, বাসা ভিত্তিক পেশাদার হয়ে থাকে৷  যারা বিভিন্ন সংস্থা, ব্যবসা এবং উদ্যোক্তাদের প্রশাসনিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

ভার্চুয়াল সহকারীদের কাজের কয়েকটি প্রধান ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে ফোন কল করা, ইমেল, চিঠিপত্র, ইন্টারনেট গবেষণা, ডেটা এন্ট্রি, নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট, সম্পাদনা, লেখা, বই রাখা, বিপণন, ব্লগ পরিচালনা, প্রুফ রিডিং, প্রকল্প পরিচালনা, গ্রাফিক ডিজাইন, প্রযুক্তি সহায়তা, গ্রাহক পরিষেবা, ইভেন্ট পরিকল্পনা এবং সামাজিক মিডিয়া পরিচালনা ইত্যাদি।

অর্থাৎ আপনি ভার্চুয়াল সহকারী হলে আপনে এসব কাজের এক বা একাধিক কাজ করতে হতে পারে৷ যা আপনি করতে পারবেন ঘরে বসেই। ভার্চুয়াল সহকারী হওয়ার জন্য আপনার যোগ্যতার উপর নির্ভর করে কিছুটা প্রশিক্ষণ বা ব্রিফিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে।

তবে, যদি আপনি ভাল যোগাযোগের দক্ষতা অর্জন করেন এবং এমএস অফিসের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করতে সক্ষম হন তবে আপনি Elance.com, 24/7 Virtual Assistant, Assistant Match, eaHelp, Freelancer, FlexJobs, People Per Hour, Uassist.Me, Upwork, VaVa Virtual Assistants, Virtual Staff Finder, Worldwide 101, Ziptask, Zirtua সাইটগুলিতে সাইন আপ করে আপনার কাজ খুজে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইট বানিয়ে আয় করার সহজ উপায়:

আপনি হয়তো জেনে থাকবেন একটি ভালো ওয়েবসাইটের দাম লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আপনিও চাইলে এরকম ওয়েবসাইট বানাতে পারেন এবং সেটি সচল করে অনেক বেশি দামে বিক্রি করে দিতে পারেন। ওয়েবসাইট বানানো বর্তমানে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার মতোই সহজ। যে কেউ চাইলেই করতে পারেন।

কিন্তু যে সাইট গুলো খুব সহজে বানানো যায়, সেগুলোর তেমন কোনো চাহিদা থাকে না। তবে আপনার সাইটে যদি পরিমিত পরিমান ট্রাফিক থাকে, সেক্ষেত্রে দাম পেতে পারেন ভালো।  যে সাইট গুলো বেশি দামে বিক্রি হয় সেগুলো দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার দ্বারা তৈরি করা হয়।

তাই আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার হয়ে থাকেন, অথবা ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি নিজে নিজে ভালো ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট আপলোড করে সেখান সাইটটি সচল করে সেটিকে ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন।

আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে ফ্রিতে ভিডিও দেখে বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব ডিজাইন কোর্স করেও শিখতে পারেন ওয়েব ডিজাইনিং।

আবার অনেক ক্ষেত্রে নতুন সাইটও বিক্রি করতে পারেন যদি আপনার হাতে ক্লায়েন্ট থাকে। আর এই কাজের একটি ভালো দিক হলো আপনি যদি এই কাজে একবার দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন, তবে বিভিন্ন জায়গা থেকে কাজের সুযোগ আসবে আবার চাকরি জীবনেও এই অভিজ্ঞতা অনেক কাজে আসবে আপনার।

প্রোগ্রামিং করে আয় করার সহজ উপায়:

প্রোগ্রামিং এর সংজ্ঞায় ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিকশনারি অনুসারে, “প্রোগ্রামিং হল কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার জন্য করা ক্রিয়াকলাপ।”

কম্পিউটার কত রকমের কাজ করে। ছবি ভিডিও সেভ করা থেকে এক্সেল শিট এর হিসাব রাখা এসব কাজই কম্পিউটার করতে পারে। কিন্তু কম্পিউটার কি এসব নিজে থেকে করতে পারে? না, কম্পিউটার অবশ্যই এসব নিজে থেকে করে না। এজন্য তার মধ্যে অবশ্যই এই প্রোগ্রাম গুলো সেট করে দিতে হবে।

মানুষ যেমন একে অপরের সাথে কথা বলার জন্য ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে, কম্পিউটার কেও ঠিক নির্দেশনা দেবার জন্য সুনির্দিষ্ট ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করতে হয়। C++, Python এরকম কিছু প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে কম্পিউটার কে নির্দেশনা দেওয়া হয়। একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার কম্পিউটার কে এমন ভাবে নির্দেশনা দিবে যার ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং এপ্লিকেশন কে কাজ করাতে পারবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে সবচেয়ে উচুদরের কাজগুলো র মধ্যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং অন্যতম। একজন প্রোগ্রামার অনেক সময় ধরে এসব প্রোগ্রামিং এর কাজ শিখে কম্পিউটার কে নির্দেশনা দিতে পারে কোন এপ্লিকেশন রান করাবার।

আপনি যদি একাডেমিক ভাবে প্রোগ্রামিং শিখতে চান তাহলে আপনি কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট এ পড়তে পারেন। এই ডিপার্টমেন্টে আপনি সার্টিফিকেট পাবার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে ও জানতে পারবেন। তাছাড়া ইউটিউব ঘাটা-ঘাটি করে আপনি শিখতে পারেন। আর যদি অনলাইন কোন কোর্স করতে চান তাহলে আমি Udemy, Udacity, coursera এই ৩ টি ওয়েবসাইট রিকমেন্ড করব।

প্রোগ্রামিং এর কাজ শেখা সময়সাধ্য হলেও আপনি প্রোগ্রামিং এর কাজ ভালভাবে শিখলে আপনার জন্য খুলে যাবে অবারিত সুযোগ। তখন আপনি প্রোগ্রামিং করেই ভালো পরিমানে অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

ডোমেইন হোস্টিং করে আয় করার সহজ উপায়:

ওয়েবসাইট বানাতে হলে ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়। অনেকেই বিভিন্ন কাজে ওয়েবসাইট বানায়। আপনি তাদের কাছে ডোমেইন এবং হোস্টিং বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।

ড্রপ শিপিংয়ের মাধ্যমে আয় করার সহজ উপায়:

ড্রপশিপিং (Dropshipping) অনলাইন ব্যবসার অন্তর্গত একটি কাজ যার মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। চলুন প্রথমেই জেনে নেই ড্রপশিপিং (Dropshipping) আসলে কি। এটা উদাহরন দিয়ে বুঝালে আপনি খুব সহজেই বুঝে যাবেন।

মনে করেন, আপনার এলাকায় পরিচিত একজন কোনো একটা পন্য তৈরি করে সেটা বাজারে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখলেন যে এই পন্যটিই শহরে বড় বড় মার্কেটে অথবা কোনো ই-কমার্স সাইটে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এরকম কিন্তু সচরাচর আমাদের দেশে সবসময় হয়েই চলেছে। কোনো একটা সবজি কৃষকদের থেকে ৫ টাকা কেজি মূলে কিনে বড় বড় বাজারে ওইগুলো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তো এক্ষেত্রে আপনি নিজেই বড় একটি ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রোফাইল খুলে ওই পন্যটি বিক্রি করতে পারেন। আপনি আপনার এলাকার যে উৎপাদনকারী আছে তার কাছে থেকে পন্য টা ৫০০ টাকায় কিনে সেটি আপনার প্রোফাইলে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

এতে একটি পন্যেই ৯০০ টাকা লাভ করতে পারছেন।  অথবা আপনি যদি ১২০০ টাকায় বিক্রি করেন তাতেও আপনার ৭০০ টাকা লাভ থেকে যাচ্ছে। এটিই মুলত ড্রপশিপিং (Dropshipping)। আপনার এলাকায় যদি এরকম কোনো সুযোগ থেকে থাকে আপনার অবশ্যই উচিৎ সুযোগটি কাজে লাগানো।

রিসেলিং করে আয় করার সহজ উপায়:

অনলাইনে পন্য বিক্রি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে বেশ বড় বড় কয়েকটি অনলাইন ব্যবসা রয়েছে। আপনি চাইলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে বড় পর্যায়ে শুরু করতে হবে।

আর এতে আপনার পুরো সময়টাই ব্যয় করতে হবে এবং সাথে সাথে আরও অনেক দিকে খেয়াল রাখতে হবে যেটা ছাত্রজীবনে করা একটি কষ্টকর হয়ে যায়।

সেক্ষেত্রে আপনি অনলাইন রিসেলিং (Online Reselling) করে বেশ ভালো ইনকাম করতে পারেন। অনলাইন রিসেলিং মুলত অনলাইনে পন্য বিক্রির কাজ কিন্তু এক্ষেত্রে আপনাকে বেশি কিছু করা লাগবেনা।

আপনি শুধু একটি রিসেলিং কোম্পানি (Reselling Company) তে আপনার একাউন্ট খুলবেন এবং এখান থেকে পন্যের ছবি এবং বিবরন নিয়ে আপনি নিজে একটা পেজ খুলে বিক্রি করবেন।

রিসেলিং কোম্পানির কাছে অনেক কম দামে পন্য পাবেন আর ওইগুলা তার থেকে সামান্য বেশি দাম দিয়ে বিক্রি করে আপনি নিজের লাভ বের করবেন। বেশি কিছু রিসেলিং কোম্পানি (Reselling Company) বাংলাদেশে রয়েছে। এর মধ্যে শপআপ (ShopUp) অন্যতম।

এখানে আপনাকে পন্য বিক্রয় করার জন্য নিজের কোনো পন্য লাগবে না। পন্য যোগাড় থেকে শুরু করে বাকি সব কাজই ওই রিসেলার কোম্পানি করে দিবে।

সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে আয় করার সহজ উপায়:

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোশ্যাল ইন্সুরেন্সারদের আধিক্য অনেক বেশি। যাদের কাজ শুধু ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে মানুষদেরকে ইনফ্লুয়েন্স করা। এতে করে আপনার দুটি লাভ হবে। কি হলো আপনার ভিডিও ভিউ হবে সেখান থেকে আপনি আয় করতে পারবেন।

বিউটি হল আপনার পরিচিতি বাড়বে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনাকে মানুষ অনেক জন চিনবে। বিভিন্ন কোম্পানি আপনার ভিডিওতে স্পন্সর হিসেবে থাকতে চাইবে। যার ফলে সেই সবই স্পন্সরদের থেকে টাকা নেওয়া আপনি ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি বড় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে গেলে বিভিন্ন সেশন আয়োজন করে সেখানে মানুষদের নির্দিষ্ট ফি এর বিনিময়ে মানুষদের উপস্থিত থাকতে বলতে পারেন। এতে করে সেসব ফি থেকেও আপনি আয় করতে পারবেন অথবা অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স বা সে সেশন আয়োজন করে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

এজন্য অবশ্য আপনাকে একটি ক্লিন ইমেজ ধরে রাখতে হবে। মানুষজনকে কথা দিয়ে ইমপ্রেস করার প্রচুর ক্ষমতা থাকতে হবে। আপনি একবার সফল হতে পারলে তখন আর আপনাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

বিভিন্ন ক্যাশব্যাক থেকে আয় করার সহজ উপায়:

আপনি নিশ্চয়ই আপনার জন্য বা আপনার পরিবারের জন্য অনলাইন থেকে বিভিন্ন সময় শপিং করে থাকেন। অনলাইনে শপিং করার সময় আপনি অগ্রিম টাকা ও পেমেন্ট করে থাকেন হয়তো। পেমেন্ট করার মাধ্যম হিসেবে আপনি বিভিন্ন কার্ড, বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ব্যবহার করা থাকেন।

অনেক সময় উৎসবের সময় বিশেষ করে ঈদ ,পূজা, পহেলা বৈশাখ কিংবা বসন্তের সময়ে এসব পেমেন্ট গেটওয়ে গুলো নির্দিষ্ট ফি পেমেন্ট করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অংশ ক্যাশব্যাক দেয়া হয়। যেমন ২০% ক্যাশব্যাক, ১০% ক্যাশব্যাক ইত্যাদি। এই পেমেন্টের ক্যাশব্যাক অংশটি আপনার বাড়তি ইনকামের অংশ ।

ক্যাশব্যাক এর মাধ্যমে আপনি হয়তো খুব বড় একটি অর্থ পাবেন না। কিন্তু দেখা যায় যে, আপনি হয়তো অনলাইন শপিংয়েই আরেকটি পণ্য ফ্রিতে কিনতে পারছেন সেই ক্যাশব্যাক এর অংশ দিয়ে।

এছাড়াও ইনকামের আরো অন্যান্য পথ রয়েছে। যেমন দারাজ অনলাইন শপিংয়ে আপনি নিজেই দারাজের সেলার হতে পারবেন। আপনার বিক্রি যোগ্য পন্য দারাজের বিক্রির জন্য রাখতে পারেন। আবার বিভিন্ন ফুড বেজড অনলাইন যেমন ফুডপান্ডায়ও আপনি ঘরোয়া খাবার রান্না করে বিক্রি করতে পারবেন।

আর্টিকেলটি অনেক বড় হলো বিধায় আমরা আর লিখছি না। আশা করি এগুলোর মধ্য থেকেই আপনি একটি ভাল কাজ বেছে নিতে পারবেন।

আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি আপনার আয়ের একটি ভালো পথ খুঁজে পেয়েছেন। তবে মনে রাখতে হবে অনলাইনে ইনকামের জন্য আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে।  আপনি রাতারতি ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন না।

কোন একটি কাজ শুরু করে দিয়ে আপনাকে সেই কাজে দক্ষ হতে পারলে, নির্দিষ্ট সময় পর আপনি খুব সহজেই ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। এজন্য প্রথমে হতাশ না হয়ে মনোযোগ দিয়ে কাজ করে যায় উত্তম।

লিখেছেন: রাকিব খান

Leave a Comment

Your email address will not be published.